এইমাত্র পাওয়া

রামগতি আছিয়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করলো ‘স্বপ্ন নিয়ে’

ইউনুছ শিকদারঃ
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি।এ বছর আর অনেক দূর পথ হেঁটে কিংবা কলাগাছের তৈরী শহীদ মিনারে নয়, ইট-সিমেন্টে নির্মিত শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার “রামগতি আছিয়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও রামগতি বালিকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা”। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে এসেছে স্বেচ্ছাসেবী প্লাটফর্ম ‘স্বপ্ন নিয়ে’।

দুই স্কুলের শিক্ষক ও এগারো শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

উপকূলীয় এলাকার এই বিদ্যালয়টি এই এলাকার ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে এই দুই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনেক দূর পথ হেঁটে অন্য শহীদ মিনারে কিংবা কলাগাছের তৈরী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে একুশে ফেব্রুয়ারিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছিল। ‘স্বপ্ন নিয়ে’ প্লাটফর্ম স্কুলে শহীদ মিনার তৈরী করে দেয়ায় সবাই খুব খুশি। এ বছর একুশে ফেব্রুয়ারি হবে তাদের জন্য নতুনভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের বছর। শহীদ মিনারটি নির্মান করায় বালিকা বিদ্যালয়ের এবং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা জাতীয় দিবসগুলো স্বরণ করতে স্কুল পেরিয়ে বাহিরে আর যেতে হবেনা। এই শহীদ মিনার পেয়ে আনন্দের কথা জানিয়েছে শিক্ষার্থীরাও।

উল্লেখ্য যে গত বছর লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর বাদাম ইউনিয়নের পূর্ব চরসীতা গ্রামে প্রফেসর এ.টি.এম আইউব মডেল স্কুল ও লম্বাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে শহীদ মিনারটি তৈরীর অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে ‘স্বপ্ন নিয়ে’।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত