এইমাত্র পাওয়া

মাটি ছাড়াই শূন্যের উপর তেতুঁল গাছে তেতুঁল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে,মাটি ছাড়াই শুন্যের উপর দাড়িয়ে আছে তেতুঁল গাছ।এবং ওই দৃশ্যমান তেতুঁল গাছে ধরেছে ফুল ও তেতুঁল।
অবশ্য একেবারেই শুন্যের উপর নয়। তেতুঁল গাছটি দাড়িয়ে আছে প্রাচীন আমলে নির্মিত বর্তমান পড়িত একটা ভাঙ্গা ঘরের উপর।
আশ্চর্যজনক এমন দৃশ্য সচারাচর কমই দেখা যায়।

তবুও সত্য যে,মাটির নীচ থেকে না গজালেও মাটি ছাড়াই তেতুঁল গাছটি পরিচর্যা ছাড়াই বেড়ে উঠেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

সাথে ওই মাটিবীহিন শুন্যের উপর দাড়িয়ে থাকা তেতুঁল গাছে তেতুঁলের ফুলে ফুলে সমারোহ এবং টক স্বাদযুক্ত শহশ্রাধীক তেতুঁল ধরেছে।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়,যশোর শহরস্থ মাইক পট্টি এলাকার নোভা হসপিটাল সংলগ্ন একটি পুরানো যরাজীর্ণ পড়িত ছোট ভাঙ্গা ঘরের ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে ডালসহ ৩-৩.৫০ ফুট লম্বা চিকন একটি তেতুঁল গাছ।

অবশ্য তেতুঁল গাছটির গোড়ার অংশ আনুমানিক ১ ফুটের মত।ফুলে ফুলে ভরে উঠে – বেশ দারুণ সৌন্দর্যের মূর্ছনা ছড়িয়ে পড়েছে পুরাতন ও প্রাচীন আমলে নির্মিত ভাঙ্গা ঘরের ছাদ।

সেই সাথে সদ্য বছর ধরেছে শহশ্রাধীক তেতুঁল ওই ছোট্ট তেতুঁল গাছে।

নজরও কেড়েছে আশ্চর্যজনক ছোট্ট পাতাবাহারী তেতুঁল গাছটি ভ্রাম্যমাণ জনসাধারণের।

এবিষয়ে জানতে চাইলে যশোরের মাইক পট্টির দৃশ্যমান ওই তেতুঁল গাছ সংলগ্ন এলাকার একাধিক দোকানীরা বলেন,প্রাচীন আমলে চুঁন – সুড়কি,বালুমাটির সংমিশ্রনে নির্মিত- পড়িত ভাঙ্গা ঘরের ছাদের উপর অনেক দিন আগে থেকেই মানুষের হাতের ছোঁয়া ছাড়াই প্রাকৃতিক নিয়মে বেড়ে উঠেছে তেতুঁল গাছের চারাটি।

এক কথায় মানুষের পরিচর্যাবীহিন বেড়ে উঠে সদ্য বছর ফুল ফল ধরতে শুরু হয়েছে আশ্চর্যজনক ভাবে মাটির রস ছাড়াই বেড়ে ওঠা-তেতুঁল গাছটি বলে জানান স্থানীয় দোকানী ব্যবসায়ীরা।তাদের ধারণা,চুঁন-সুড়কি,বালুমাটির সংমিশ্রনে ঘরটি তৈরি হওয়ার কারণে -মাটির নিচ থেকে কিছুটা হলেও রস সংগ্রহ করতে পারছে তেতুঁল গাছের চারাটি সেই শুরু থেকেই।

তাছাড়া কেউ হয়তো তেতুঁল খেয়ে বিঁচি ফেলে দেওয়াই তেতুঁল গাছটি ছাদের উপর জন্ম নিয়ে বড় হয়ে উঠেছে বলে তাদের ধারণা।
এবং স্থানীয়দের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর নজরদারিতে রেখে ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠেছে।

এবং সদ্য মৌসুমে ফুল ফল দিতে শুরু করেছে প্রাচীন আমলে নির্মিত ভাঙ্গা ঘরের ছাদের উপর দৃশ্যমান ও দৃষ্টিনন্দন মাটিশুন্য তেতুঁল গাছের চারাটি বলে জানান তারা।

এছাড়াও দেখা যায়,স্থানীয় কে বা কার উদ্যোগে ওই আশ্চর্যজনক তেতুঁল গাছে ভালবাসার খাতিরে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা টানিয়ে রাখা হয়েছে।

কলারোয়া (সাতক্ষিরা ) প্রতিনিধি,
দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই তাঁর লক্ষ্য এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক সচেতন।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত