এইমাত্র পাওয়া

নাচোল হাসপাতালে মিলছে না কলেরা রোগের স্যালাইন, নজর দারি নেই কর্তৃপক্ষের

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় প্রতিদিন বাড়ছে কলেরা রোগে আক্রান্তরোগীর সংখ্যা।অথছ উর্ধতন কতৃপক্ষের অবহেলার কারনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভয়াবহ কলেরা রোগে আক্রান্ত রোগীর ভাগ্যে মিলছে না স্যালাইন।ফলে রোগীদের কলেরা স্যালাইনের পরিবর্তে বাইরে থেকে ক্রয় করতে হচ্ছে অন্য স্যালাইন।

গত রোববার নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়,এক সপ্তাহে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কলেরা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩০থেকে ৪০জন। সপ্তাহে ৩০ থেকে ৪০জন কলেরা রোগে আক্রান্ত হলে ও রোগীরা সরকারি হাসপাতাল থেকে পাচ্ছেনা কোন ধরনের সহযোগীতা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি কলেরা রোগে আক্রান্ত রোগী সাজেমা ও মুনায়ারা জানান,আমরা কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে চারদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েিেছ।আমরা এখন পর্যন্ত কলেরা রোগের স্যালাইন পাই নী।উপজেলা হাসপাতালের বাইরে থেকে আমাদের অন্য স্যালাইন ক্রয় করতে হচ্ছে।আক্রান্ত রোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন,দায়িত্ব রত নার্সরা আমাদের সেভাবে সেবা দিচ্ছে না । নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা গেছে গত ১৭ জুলাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কলেরা রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ মাত্র ২০টি স্যালাইন বরাদ্ধ করে।যা কলেরা রোগে আক্রান্ত রোগীদের চেয়ে অত্যান্ত অপ্রতুল।এখন পর্যন্ত কোন কলেরা রোগের স্যালাইন না পাওয়ায় রোগীদের ভোগান্তীতে পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচ ডাঃআসাদুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমাদের নাচেঅল উপজেলায় প্রতিদিন কলেরা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।কিন্তু আমাদের রোগীর তুলনায় কলেরা স্যালাইন অত্যান্ত অপ্রতুল।আমাদের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কলেরা স্যালাইন বৃদ্ধির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ মুহাঃ গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছি বলে জানান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি, দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই তাঁর লক্ষ্য এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক সচেতন।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত