এইমাত্র পাওয়া

ঝিনাইদহের সজল স্কুলে যেতে চায়

অর্থের অভাবে সজলের চিকিৎসা হচ্ছে না।

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
হাটুর নিচ থেকে দু’পায়ের মাংশ উঠে গেছে দিন মজুরের ছেলে ফকর উদ্দীন সজলের। সড়ক দুর্ঘটনা তার জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছে হেটে স্কুলে যাওয়ার শক্তি। ঠিক মতো চিকিৎসা না হলে সজলের দুই পা কেটে ফেলতে হতে পারে। তাই সজলের স্থান এখন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে। দ্বিতীয় শ্রেনীর ছাত্র সজল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহিষাডাঙ্গা গ্রামে। সে স্থানীয় বালিয়াডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। তার পিতার নাম ইব্রাহীম বিশ্বাস। মা কোহিনুর বেগম জানান, গত ১৮ জুন মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া নামক স্থানে ইজিবাইকের সাথে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজলের দুই হাটুর নিচ থেকে চামড়া ও মাংশ খসে পড়ে। উদ্ধার করে তাকে দ্রুত ভর্তি করা হয় ঝিনাইদহ শহরের আল-ফালাহ ক্লিনিকে। তিনি আরো জানান, অর্থের অভাবে সেখানে বেশি দিন চিকিৎসা করাতে পারেনি সজলের। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে কিছুদিন চিকিৎসা গ্রহনের পর তাকে শুক্রবার রাতে ঢাকার পঙ্গ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পিতা পরের ক্ষেতে দিন মজুরের কাজ করেন। তাদের নিজস্ব কোন জমিজাতি নেই। মানুষের সহায়তায় এ পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় এক লাখ দশ হাজার টাকা ব্যায় করেছেন ইব্রাহীম বিশ্বাস। এখন তাদের হাতে কোন টাকা নেই। ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তির পর অপারেশন, ওষুধ ও রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু তাদের কেনার সমর্থ নেই। কালীচরণপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর পিন্টু শিকদার জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়ার পর কিছু মানুষ তাদের আর্থিক সহায়তা করেছেন। সেই কিঞ্চিত টাকা নিয়ে সজলের চিকিৎসার জন্য পরিবারটি ঢাকায় গেছেন। তিনি বলেন এখন শিশু সজলের চিকিৎসার জন্য তিন লাখ টাকার প্রয়োজন। চিকিৎসা দিতে পারলে সজল আবার স্কুলে যেতে পারতো, খেলতে পারতো বন্ধুদের সাথে যোগ করেন ইউপি সদস্য পিন্টু শিকদার। সজলের সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ইব্রাহীম বিশ্বেস বিকাশ নং ০১৭৬০-১৪১৬৯৮ ও স্থানীয় মেম্বর পিন্টু শিকাদার ১০৭২৪-১১১২৮৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই তাঁর লক্ষ্য এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক সচেতন।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত