এইমাত্র পাওয়া

🐫 উট প্রদর্শন করে অর্থ উপার্জন। আবার উটেও দিচ্ছে ঝাড়ফুক

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
সচরাচর হরহামেশায় দেখা যায় হাতির পিঠে চড়ে অর্থ উপার্জনের দৃশ্য।অনেকেই মন্তব্য করেন, হাতি দিয়ে চাঁদাবাজি।কেউ কেউ দেখে খুশি হয়ে দেয়, আবার অনেকেই বিরক্ত হতেও দেখা যায়।কিন্তূ এখন নতুন করে দেখা দিয়েছে মরুভুমির উট বাংলাদেশের ভ্রাম্যমাণ পথচারী উট। যেটা মুলত বেশি চিড়িয়াখানায় কিংবা মেলার মাঠে 🎪 তাবুঘিরে প্রদর্শনীতে অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা করে থাকেন উট মালিক পক্ষ। আজ সেটা সেখানেই সিমাবদ্ধ নেই। বেরিয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রাম্যমাণ ভাবে মানুষের বাড়ি, বাজার এবং রাস্তায় রাস্তায় উট প্রদর্শনী করে অর্থ উপার্জনের জন্য জনসমক্ষে ।শুধু মানুষের মাঝে গিয়ে দেখিয়ে অর্থ উপার্জনেই ক্ষান্ত নয়, উটে ঝাড় ফুক দিলেও নানান রোগের উপশম হবে বলে জানান শহশ্রাধীক সহজ সরল গ্রামাঞ্চলের নারী পুরুষসহ সকল বয়সী মানুষ।এমনই কথা তাদেরকে জানানো হয়েছে উট মালিক পক্ষ থেকে জানান তাঁরা ।এটা বাইরের কোন প্রদেশ বা জেলা উপজেলার ঘটনা নয়।জানা যায় সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলাধীন দেয়াড়া, যুগিখালী, কুশোডাঙ্গাসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ভাবে উট দেখিয়ে চাউল, ধান টাকা মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করছে। ১লা জুন শুক্রবার উপজেলাধীন খোরদো দলুইপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ উট প্রদর্শনীতে লিপ্ত থাকা যশোরের অভয়নগর নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা উট মালিক জৈনেক মোঃ আকবর আলী ও তার সহযোগীর বাড়ি বলে জানা যায়।সংবাদকর্মীরা বিষয়টি জানতে পারলে জৈনেক মোঃ আকবর আলী জানান,প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের ওই উট বিভিন্ন মেলায় তাবু 🎪 ঘিরে দশ টাকা হারে নিয়ে প্রদর্শনী করে থাকেন।এখন মেলা বাজার না হওয়াতে এবং অনেকেই গ্রামাঞ্চল থেকে গিয়ে দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়, বিধায় ভ্রাম্যমাণ ভাবে মানুষের বাড়ি বাড়ি, বাজারের দোকান ও রাস্তায় রাস্তায় প্রদর্শনী করে কিছু রোজগার করে চলেছেন । তাছাড়া গত এক মাস আগে উপজেলার যুগীখালী বাজার এলাকায় আসছে – ঈদ পর্যন্ত তাবুগেড়েছে যেটা তারা ঈদের পরেই নিজ এলাকায় চলে যাবেন বলে জানান উট মালিক পক্ষ ।রোজগারের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারা দিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ২-৩তিন হাজার টাকা পরিমাণ (ধান, চাউলসহ নগদ টাকা) হয়ে থাকে।অনেক সময় কমও হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুধু দেখে টাকা বা অন্যান্য জিনিস দেওয়া হচ্ছে না।তৈল নিয়ে উটের নাক, মুখের সংস্পর্শে ঘোরালেই ব্যথানাশক বা নানান ব্যাধি ভাল হওয়ার নিমিত্তে ঝাড়ফুক দিচ্ছে উট মালিকের ইশারায় বলে জানান তারা।আসলে এর সত্যতা কোথায় প্রশ্নবিদ্ধ করে গ্রামাঞ্চলের সহজ সরল মানুষের ।অনেকই দ্বিধা দন্দে, আবার কেউ কেউ আরবের মরুভুমি প্রান্তরে থাকা প্রানী উট এমনটাই বিশ্বাসের মন্তব্য করতে দেখা যায়।আবার অনেকেই ভাবছেন অল্প কিছুর বিনিময়ে মরুভুমির উট দেখতে পাচ্ছি। যার কারণে যেখানে যাচ্ছে উট ভিড় জমছে শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সী জনতার।পারিশ্রমিক হিসেবে এবং উটের খাদ্য সংগ্রহে আর্থিক কিছু উপকার হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ উট প্রদর্শনীতে লিপ্ত থাকা মালিকের বলে জানান জৈনেক মোঃ আকবর আলী।

প্রশ্নবিদ্ধ ও আশ্চর্যজনক ঝাড়ফুকের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন,আরবের মরু প্রান্তরের সংস্পর্শে থাকা আল্লাহর সৃষ্ট প্রানী উট অছিলা মাত্র, সুস্থ করার মালিক আল্লাহতালা বলে মনে করেন তিনি।

কলারোয়া (সাতক্ষিরা ) প্রতিনিধি,
দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই তাঁর লক্ষ্য এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক সচেতন।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত