এইমাত্র পাওয়া

অদ্ভুত জগতে পেট বাঁচাতে মরিয়া মানব জীবন

সারা বিশ্বব্যাপী কর্মব্যস্ততায় প্রতিটি মানুষের চলমান জীবন।ছুটে চলেছে পৃথিবীর এই প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রুটি রুজি অর্থ আয়ের উৎস বা কর্মের জন্য সকলেই ।সময় যেমন থেকে নেই ঠিক তেমনি মানুষও থেমে নেই একই স্থানে।দিন যায় রাত আসে, তারই মধ্যে জীবনের পরিসমাপ্তিও ঘটছে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া নিয়মানুসারে। অস্বীকার করার সুযোগ নেই সৃষ্ট জগতের একটা প্রানীরও।তারই ভিতরে চলছে তারই নানান ধৈর্য্যের পরিক্ষা। নিয়তীর লেখন অনুযায়ী চলছে মানবদেহ ।তবে সবাইকে দিয়ে সব কর্ম সম্পাদন করবেন না সৃষ্টিকর্তা এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই।তাই যদি করাবেন তাহলে থাকত না ভাল এবং মন্দ,পাপ পন্যের নিদর্শন এবং বিবেক বুদ্ধির উপমা।নিম্ন থেকে উচ্চ কর্মপদ্ধতি সমাজে বিরাজমান ।সবই জীবন জীবিকা অর্জনের জন্য এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের পেট বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে মানবজাতি বিভিন্ন কর্ম ক্ষেত্রে। তাই সেটা সুদ, ঘুস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলদারি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকব্যবসা, চোরাচালান, দুর্নীতিগ্রস্থতা,ভ্যান চালক শ্রমজীবী ,অসহায় দুর্বলের পেটে লাথি মেরে সবলের নানান উপায়ে অর্থ উপার্জন,চাকুরী, ব্যবসা,কৃষি, শিল্প কারখানা, ফ্যাক্টরি,ভিক্ষাবৃত্তি, টোকায়ের ফুটপাথ ও পচাঁ নর্দমা থেকে পরিত্যক্ত জিনিস টোকানো,এক দেশ থেকে বহিরবিশ্বের শ্রমবাজারে বিভিন্ন ক্ষেতে শ্রম বিক্রয়সহ নানান আয়ের উৎস হিসেবে হতে পারে কর্মপদ্ধতি।তবে বিবেক বুদ্ধি এবং সঠিক মনুষত্ব্যই মনকে প্রভাবিত করে প্রতিটি মানুষের চলমান জীবনের কর্ম তৎপরতা।যারা আকাশ ছোঁয়া হিসেবে সমাজে বিভিন্ন অপকর্মের মধ্যে ধাবিত হচ্ছে তাদেরকেও পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে যেতে হবে আবার এই ছবির দৃশ্যে যে মানুষটা ফুটপাথ বা বাগানের ভিতর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা জিনিস টোকায়ের ন্যয় টোকাচ্ছে সেই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবে এমনকি আমিও চলে যাব নিশ্চিত, কোন সন্দেহ নেই। মানুষীক ভোগান্তিটা ও ভাবনাটা বেড়ে যায় তখনই, যখন সকল কিছুই মিলিয়ে নিম্ন থেকে উচ্চ বিলাসী দৃশ্য নজরে আসে।স্তব্ধ ও বাকরুদ্ধ আমি এই টোকায়েরও জীবন আবার আকাশ ছোঁয়া অবৈধ্য অর্থ সংগ্রহের মানবের পথচলার দৃশ্য ও মানুষীকতা হিসাব টেনে। কলমও থেমে যায়, যায় ভাষা হারিয়ে দেশদ্রোহী বেইমান স্বার্থনেশী মির্জাফরের ইতিহাস পড়লে, দেখলে তাদের বিভিন্ন কর্মপদ্ধতির হিসাব। তবে বিভিন্ন অর্থনেশীদের মধ্যে দেশে উঠতিসহ বিভিন্ন ক্যডারদের প্রভাবও কম নয়। যাদের কারণে অতিষ্ঠ শুশিল সমাজ ও খেটে খাওয়া সাধারণ দিনমজুরের মুখে এমন আলোচনাও শোনা যায় প্রতিটি যায়গায়।
তবে সবাইকে স্বরন রাখতে হবে যে,সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়। একদিন নিশ্চয়ই ছাড়তে হবে এই রঙ্গিন পৃথিবীর মায়া, যেতে হবে সকলকে অজান্তেই বিদায় জানিয়ে।তাই যতদিন বেঁচে থাকা ততদিন সমাজ, দেশ, ও মানুষের উপকার্থে কিছু না কিছু করার চেষ্টায় জীবনকে বিলিয়ে দেওয়া প্রতিটি মানুষের সঠিক মনুষত্ব্যের কাজ বলে মনে করি। হয়তোবা আসবে নিন্দুকের কাছ তীব্র মিথ্যা ঘৃণার বাণী ও নানান সমালোচনা ।তাই বলে কী থেমে থাকে কোন কাজ।হিঃস্বুক ও নিন্দুকের কাজই যে অন্যের সমালোচনা এবং ভালোটা বাধাগ্রস্থ করা। তবে সত্যর জয় সুনিশ্চিত মনে রাখতে হবে।
বাস্তব এবং সত্য – দৃশ্যপট ছবিটি একটি চায়ের দোকানের পাশে ময়লার স্তূপের ভিতর থেকে পেটের দায়ে পরিত্যক্ত জিনিস কুড়িয়ে আয়ের উৎস হচ্ছে ঐ বৃদ্ধের -।মনে পড়ে গেল,সনেট কবি মধুসুদন দত্তের সেই আবেগী কথা যার সারমর্ম হচ্ছে, অনেক দেশ অনেক নদী অনেক দৃশ্য দেখা হয়ে গেছে কিন্তূ, নিজ দেশের দৃশ্য না দেখে যেমন নয়ন জোড়ায় না ঠিক কপোতাক্ষের জল ছাড়া তৃষ্ণা মেটেনা। প্রসঙ্গত -নিম্ন থেকে বেশকিছু উচ্চ মহলে বিচরনে, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও আপন – পর ব্যক্তিত্বের মাঝে বাস্তব কিছু উপলব্দিতে যতটুকু অভিজ্ঞতা গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে এবং দেশে অনেক বয়সী টোকায় দেখেছি ক্ষধার তাড়নায় খাদ্যসহ বিভিন্ন জিনিস পত্র টোকাতে কিন্তূ ঐ বৃদ্ধের জীবন ধারণের টোকায় হয়ে টোকানোটা যেন অন্য মনুষ্ক করতে বাধ্য করল মন ।
দেশ ও মানব প্রেম অন্য রকম এক অনুভূতিতে বিবেক ও মনুষত্ব্যকে জাগ্রত করে।প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে বিরাজ করুক দেশ ও মানব প্রেম।সবলের দ্বারা দুর্বলকে লাথি এবং মিথ্যা দিয়ে না ডুবিয়ে –
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কী মানুষ পেতে পারে না-এমন চিন্তা চেতনা কী মানব দেহের মধ্যে ফিরতে পারে না ।।অদ্ভুত জগতে পেট বাঁচাতে মরিয়া মানব জীবন।

কলারোয়া (সাতক্ষিরা ) প্রতিনিধি,
দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই তাঁর লক্ষ্য এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক সচেতন।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত