এইমাত্র পাওয়া

ভাসানচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন নিজস্ব অর্থায়নে

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, হাতিয়ার ভাসানচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে বিদেশি দাতাদের সাহায্যের কোনো আশা নেই। ফলে ভাসানচরে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তা আহ্বানের পাশাপাশি যতটা সম্ভব নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার।

এরই মধ্যে ভাসানচরে ২৩শ’ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয়ে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজনীয়তা থাকায় ঠিক কবে নাগাদ এ কাজ শেষ হবে, তার সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানাতে পারেননি তিনি।

শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহরিয়ার আলম এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে একজন রোহিঙ্গাকেও বাধ্য করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ কার্যালয় থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মূল ভূখণ্ড থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে রোহিঙ্গাদের ওই আবাসস্থল গড়ে তোলা হবে। কিন্তু ভাসানচর প্রকল্প বাস্তবায়নে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন থাকায় ঠিক কবে নাগাদ এর কাজ শেষ হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

যদিও কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা বলছে, সমুদ্র-তীরবর্তী ভাসানচরে এখনও বন্যাঝুঁকি রয়েছে। তাই সেখানে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেওয়া ঠিক হবে না। এ প্রসঙ্গে শাহরিয়ার আলম বলেন, এ নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। কারণ আমরা ভাসানচরে বাঁধ নির্মাণ করছি।

আবহাওয়া ভালো থাকলে নোয়াখালীর সুবর্ণচর হয়ে চেয়ারম্যানঘাট থেকে হাতিয়া দ্বীপে যেতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। সেখান থেকে আবার স্পিডবোটে আধাঘণ্টা লাগে জালিয়ারচরে যেতে। ১৯৯০ সালের শুরুতে দ্বীপটি জেলেদের নজরে আসে। ১৯৯৮ সালে বনায়ন শুরু হয়। এ চরের উঁচু অংশ জোয়ারে ডুবে না। মানুষের বসতি না থাকলেও দ্বীপটির জমি কৃষি কাজের উপযোগী হয়ে উঠেছে। এখানে গরু-মহিষ চরানো হয়। একসময় জলদস্যুদের আস্তানা ছিল। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরুর পর পালিয়ে গেছে জলদস্যুরা।

নেট থেকে সংগৃহিত ও অনুবাদকৃত সংবাদ সমূহ অফিসে সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদ গুলো ডেস্ক নিউজ হিসেবে প্রকাশিত হয়।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত