এইমাত্র পাওয়া

‘মৃত’ গৃহবধূ জীবিত উদ্ধার

নোয়াখালীর সেনবাগে জামাইকে ফাঁসাতে কন্যাকে খুন ও গুমের মিথ্যা মামলা দেয়ার হয়। পরে তাকে চট্টগ্রামের চাদগাঁও থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মাহমুদা আক্তার

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় সেনবাগ থানার এসআই মো. বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলা রুজুর ১১দিনের মাথায় গৃহবধূ মাহমুদা আক্তারকে (২৮) জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। ওই মামলার বাদী ছিলেন তারা বাবা কেশারপাড় ইউপির কালারাইতা গ্রামের ছালেহ আহাম্মদ।

অপরদিকে, মামলার প্রধান আসামি মাহমুদার স্বামী খাজুরিয়ার হাফেজ এমদাদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা না হবার কারণে শ্বশুর নিজ কন্যাকে চট্টগ্রামের চাদগাঁও এলাকার একটি ভাড়া বাসায় লুকিয়ে রেখে জামাইসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২৫ ফেব্রুয়ারি খুন ও গুমের মিথ্যা মামলা দেন।

জানা যায়, এমদাদ-মাহমুদার ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে ২০০৮ সালে জুলাই মাসে বিয়ে হয়। আবু হোরায়রা (৮) হুমায়রা (৫) ও হাসিবা (২) নামে তিনটি সন্তান রয়েছে তাদের। মাহমুদার পরকীয়ার কারণে তাদের দাম্পত্যজীবনে আসে অন্ধকার। গত বছরের ১৭ মার্চ মাহমুদা খাজুরিয়া থেকে বাবার বাড়ি চলে আসেন। এ ঘটনায় এমদাদ তালাকনামা পাঠান।

মামলার আইও সেনবাগ থানার এসআই বেলায়েত হোসেন বলেন, এমদাদকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা হত্যা মামলা দেয়া হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাহমুদাকে জীবিত উদ্ধার করেছি। বর্তমানে তিনি থানা হাজতে রয়েছে।

সেনবাগ থানার ওসি হারুন অর রশিদ চৌধুরী জানান, আলোচিত এ ঘটনায় ভিকটিমকে জীবিত উদ্ধার করে মিথ্যা নাটকের অবসান হয়েছে।

নেট থেকে সংগৃহিত ও অনুবাদকৃত সংবাদ সমূহ অফিসে সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদ গুলো ডেস্ক নিউজ হিসেবে প্রকাশিত হয়।

সর্বশেষ তালাশ

অপরাধ জগত